শিক্ষা মন্ত্রণালয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৩০ August ২০১৬

ব্যবস্থাপনা

শিক্ষা ব্যবস্থাপনা:

শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, অধীন দপ্তর/সংস্থাসমূহ বাংলাদেশে শিক্ষা সংক্রান্ত সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা করে থাকে।

শিক্ষার বিভিন্ন ধারা:

প্রথামিক শিক্ষা, সাধারণ ও মাদ্‌রাসা এ দুই  প্রধান ধারায় পরিচালিত। কিন্তু মাধ্যমিক শিক্ষা সাধারণ, কারিগরি ও মাদ্‌রাসা এ তিনটি ধারায় পরিচালিত। উচ্চ শিক্ষাও তিনটি ধারায় পরিচালিত। সাধারণ (বিজ্ঞান ও ফলিত বিজ্ঞান, কলা, ব্যবসায় শিক্ষা ও সামাজিক বিজ্ঞান), মাদ্‌রাসা এবং টেকনোলজি শিক্ষা। টেকনোলজি শিক্ষার মধ্যে কৃষি, ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিক্যাল, টেক্সটাইল, লেদার এবং আইসিটি অন্তর্ভুক্ত। সাধারণ শিক্ষার মত মাদ্‌রাসা শিক্ষায়ও প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যসূচিতে একই ধরনের বিষয় পড়ানো হয় তবে ধর্মীয় শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়। 

 

শিক্ষা মন্ত্রণালয়:

শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষা সংক্রান্ত নীতি, কর্মপরিকল্পনা ও কর্মসূচি (প্রাথমিক শিক্ষা স্তর পরবর্তী উচ্চ মাধ্যমিক, কারিগরি, মাদরাসা ও উচ্চ শিক্ষা), প্রণয়ন, পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষন ও মূল্যায়ন করে থাকে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর আওতাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের পরিচালনা ও পরিদর্শন কার্যাদি সম্পন্ন করে থাকে।

 

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর:

অধিদপ্তর প্রধান মহাপরিচালক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা এবং বিশেষ শ্রেণির শিক্ষার প্রশাসনিক, ব্যবস্থাপনা এবং নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে স্থানীয় অফিস এ বিষয়ে সহায়তা করে থাকে।

 

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর:

অধিদপ্তর প্রধান মহাপরিচালক পলিটেকনিক, মনোটেকনিক ও এ ধরণের কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা এবং প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করে থাকেন। এই অধিদপ্তরের অধীন বিভাগীয় পরিদর্শন কার্যালয় রয়েছে।

 

বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন:

এই সংস্থা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্পোরেট বডি হিসেবে কাজ করে। এর চেয়ারম্যান শিক্ষামন্ত্রী এবং মহাসচিব শিক্ষা সচিব । কমিশন সচিবালয়ের প্রধান হিসেবে একজন সচিব রয়েছেন।

 

জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমী (নায়েম):

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এই একাডেমি বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের কর্মকর্তাদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের দায়িত্ব পালন করে থাকে। এছাড়াও জ্যেষ্ঠ শিক্ষা প্রশাসকদের এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। এই একাডেমির প্রধান একজন মহাপরিচালক।

 

জাতীয় শিক্ষাক্রম পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি):

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এটি একটি স্বায়ত্বশায়িত প্রতিষ্ঠান। প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যপুসত্মকের কারিক্যুলাম উন্নয়ন, প্রকাশনা ও বিতরনের দায়িত্ব পালন করে থাকে।

 

বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস):

এই প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের এবং পর্যায়ের শিক্ষা সংক্রান্ত তথ্য ও পরিসংখ্যান সংরক্ষণ করে থাকে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই সংস্থা শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান সংরক্ষণ এবং প্রকাশ করে থাকে এবং মন্ত্রণালয়ের ইএমআইএস অংগ হিসেবে কাজ করে। এছাড়া আরআইএনএসএসিএ এর সমন্বয়ক হিসেবেও কাজ করে।

 

পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ):

এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান পরিচালক এবং ইহা মাধ্যমিক পর্যায়ের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মানসম্মত শিক্ষা উন্নয়নের নিমিত্ত পরিদর্শন ও নিরীক্ষার দায়িত্ব পালন করে থাকে।

 

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি):

এই প্রতিষ্ঠান পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি এবং তত্ত্ববাধনের দায়িত্ব পালন করে থাকে।

 

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়:

এই বিশ্ববিদ্যালয়টি সরকারের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সকল কলেজের একাডেমিক নিয়ন্ত্রণ এবং  ডিগ্রী (পাস/অনার্স), মাস্টার্স পর্যায়ের কোর্সের প্রস্তাব স্বীকৃতি দিয়ে থাকে।

 

শিক্ষা বোর্ড:

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক ০৮টি বোর্ড জে.এস.সি., এস.এস.সি., এইচ.এস.সি. পর্যায়ের পাবলিক পরীক্ষা অনুষ্ঠানের দায়িত্ব পালন করে থাকে। এছাড়াও এই বোর্ডসমূহ বেসরকারি ও প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে থাকে।

 

মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড:

এই বোর্ড জে.ডি.সি., দাখিল, আলিমের ন্যায় পাবলিক পরীক্ষা অনুষ্ঠানের দায়িত্ব পালন করে থাকে। এছাড়াও এই বোর্ড বেসরকারি মাদরাসা পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে থাকে।

 

কারিগরি শিক্ষা বোর্ড:

এই বোর্ড কারিগরি ডিপ্লোমা পরীক্ষা অনুষ্ঠানের দায়িত্ব পালন করে থাকে। এছাড়াও বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ভোকেশনাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার তদারকি দায়িত্ব পালন করে থাকে।

 

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এন.টি.আর.সি..):

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উত্তীর্ণ প্রার্থী নিয়োগের লক্ষ্যে নিয়োগ পরীক্ষা পরিচালনার জন্য ২০০৫ সালে ফেব্রুয়ারিতে এই প্রতিষ্ঠানটি স্থাপন করা হয়। এন.টি.আর.সি.এ. পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ব্যতীত বেসরকারি মাধ্যমিক ও ডিগ্রী, উচ্চতর ডিগ্রী পর্যায়ের মানসম্মত শিক্ষক নির্বাচন করে থাকে।


Share with :
Facebook Facebook